খবর লাইভ : বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তির নির্দেশ দিলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ শাহবুদ্দিন। সোমবার সন্ধ্যায় দেশের তিন বাহিনীর প্রধান, রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বঙ্গভবনে বৈঠক করেন রাষ্ট্রপতি। সেই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় অবিলম্বে দেশে অরাজকতা দমনে পদক্ষেপ করবে সেনাবাহিনী। পাশাপাশি মুক্তি দেওয়া হবে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে। দুর্নীতির অভিযোগ নিজের কট্টর প্রতিপক্ষ খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার করেছিলেন শেখ হাসিনা। তারপর থেকে জেলবন্দি আছেন খালেদা। এদিন প্রবল গণবিক্ষোভের মুখে পড়ে হাসিনা দেশ ছাড়তেই খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। পাশাপাশি সমস্ত বন্দি আন্দোলনকারীদের মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মঙ্গলবার সকাল ছটা পর্যন্ত দেশে কারফিউ জারি রাখা হয়েছিল। কারফিউ উঠে যেতেই দেশে স্কুল-কলেজ ও সরকারি অফিস খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করে দেশ চালানো হবে। সরকার গঠনের জন্য আওয়ামি লিগকে আলোচনায় ডাকা হবে না। আলোচনায় যুক্ত থাকবে বিএনপি, জামাত শিবির। জেল থেকে মুক্তির পর সরকার গঠনে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কী ভূমিকা থাকে, আপাতত সেদিকেই নজর বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলের। এরই পাশাপাশি, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যেই সংসদও ভেঙে দিলেন তিনি।বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা দুর্নীতির দু’টি মামলায় সাজা পেয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাবন্দি হয়েছিলেন। তাঁর মোট ১৭ বছরের জেলের সাজা হয়। দু’বছরের বেশি সময় তিনি জেলে ছিলেন। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাসিনার সরকার এক অন্তর্বর্তী আদেশে খালেদার সাজা ২০২০ সালের ২৫ মার্চ স্থগিত করে তাঁকে শর্তসাপেক্ষে গৃহবন্দি রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।




