খবর লাইভ : প্রায় ১২ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও এখনও প্রতিবাদী সাংবাদিক পীযূষ চক্রবর্তীর পরিবারের উপর থেকে সামাজিক বয়কট প্রত্যাহার করল না তৃণমূল। বর্ষার ধান রোপণের সময় সাংবাদিক পীযূষের কৃষক পরিবারকে অনৈতিকভাবে সেচের জল, ট্রাক্টর, শ্রমিক সহ একাধিক বিষয়ে সামাজিক বয়কটের নিদান দিয়েছে পরিবহনমন্ত্রী স্নেহাশীষ চক্রবর্তীর এলাকার রাধানগর গ্রাম পঞ্চায়েত। ফলে চাষবাস করতে পারছেন না পীযূষের পরিবারের বাকি সদস্যরা। সরকার যেখানে সরকারি জায়গা থেকে উচ্ছেদ করার জন্য জোরকদমে লেগে পড়েছে সেখানে তারই দলের লোকজন সাংবাদিকের ব্যক্তিগত জায়গা জোর করে দখল করেছে। তারই প্রতিবাদ করাই পীযূষের পরিবারকে সামাজিক বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয় রাধানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশ। এবার সেই ইস্যুটাকেই সর্বভারতীয় স্তরে প্রচার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার কৃষকদের পাশে থাকার বার্তা দিলেও খোদ তাঁর রাজ্যেই যে প্রতিবাদী কৃষকের চাষ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে, তা প্রকাশ্যে সর্বত্র আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি।
আরও পড়ুনঃ বাজারে আর পোল্ট্রি মুরগির মাংস আসবে কিনা তা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়
বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর রাজত্বে কারো জীবনই নিরাপদ নয়। একজন প্রতিবাদী সাংবাদিকের পরিবারকে যদি সামাজিক বয়কট করা হয় তাহলে সাধারণ মানুষদের নিরাপত্তা কোথায়? আমরা সংসদে বিষয়টি নিয়ে সরব হবো। রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীকেও বিষয়টি জানানো হবে।’ সৌমিত্রর পাশাপাশি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও এর তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহলে আলোচনা করেছি। নরক রাজত্বে আমরা যে রয়েছি তা রাজ্যবাসী টের পাচ্ছেন।’
সিপিএম নেতা রবীন দেবও সরব হয়েছেন সামাজিক বয়কটের বিষয়টি নিয়ে। তিনি বলেন, ‘এভাবে সামাজিক বয়কট করে প্রতিবাদের মুখ বন্ধ করা যায় না। হিটলারের পতন হয়েছে এদেরও হবে, শুধু সময়ের অপেক্ষা করতে হবে।’ কংগ্রেসের পক্ষ থেকেও তীব্র নিন্দা করা হয়েছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, ‘বেআইনিভাবে ভিটের উপর দিয়ে রাস্তা করার বিরুদ্ধে ওনারা আদালতে মামলা করেছেন। সেই মামলা তোলার জন্য এভাবে সামাজিক বয়কট করে কাউকে রুখতে পারবে না। বিষয়টি নিয়ে সকলের সোচ্চার হওয়া উচিত।’
নিন্দায় সরব হয়েছেন তৃণমূলেরও অনেকেই। হুগলি জেলায় মন্ত্রী স্নেহাশীষ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর এক নেতা বলেন, ‘এভাবে কোনও কৃষকের অন্ন কেড়ে নিতে পারে না কেউ। আমরা দলীয় স্তরে তদন্ত করে দেখেছি, উনি ঠিক পথেই আছেন। যারা এই কাজ করেছে তাদের কঠোর শাস্তি হওয়া প্রয়োজন।’
এদিকে এলাকায় ক্রমেই অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর মণ্ডল শিব শংকর মণ্ডল, বিশ্বজিৎ পণ্ডিতদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে এলাকার সাধারণ মানুষের। দীর্ঘদিন ধরেই এঁরা পঞ্চায়েতের আগের প্রধানদের দিয়ে জোর করে বেআইনি কাজ করাতেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, এক সময় আর্থিকভাবে গরিব এই ব্যক্তিরা কিছু না করেও যেভাবে ফুলেফেঁপে উঠেছেন তা নিয়ে সকলেই ক্ষোভে ফুঁসছেন।
খবর লাইভ : মেঘালয়ের বেআইনি কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, কমপক্ষে ১৮ শ্রমিকের মৃত্যুখবর লাইভ :…
খবর লাইভ : গভীর রাতে ভূকম্পনে কেঁপে উঠল উত্তরবঙ্গ। দার্জিলিং, শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়িতে প্রবল কম্পনে…
খবর লাইভ : রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড়সড় স্বস্তির খবর। প্রায় এক দশক ধরে চলা…
খবর লাইভ : পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুরোধ উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এসআইআর-এর কাজের জন্য রাজ্যের…
খবর লাইভ : পরনে ধুতি, মাথায় ইট ভর্তি ডালি নিয়ে এলাকার মানুষের সঙ্গে রাস্তা সংস্কারের…
খবর লাইভ : সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক সংক্রান্ত মামলার শুনানি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির…