খবর লাইভ : দলীয় নির্দেশে বুধবার সকালেই পঞ্চায়েত প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সেলিম আলি। তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের শান্তিপুর-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ছিলেন। আর তাঁর ইস্তফার কয়েক ঘণ্টা যেতে না যেতেই বুধবার সন্ধেয় পুলিশের হাতে গ্রেফতার ওই সদ্য প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান। কোলাঘাট থানার পুলিশ এদিন সন্ধেয় তাঁকে গ্রেফতার করেছে।
যদিও সেলিম আলির দাবি, “কোনও দুর্নীতির জন্য আমি পদত্যাগ করিনি। দলের একাধিক পদে থেকে চাপ বাড়ছিল, সে জন্য আমি এই পঞ্চায়েত প্রধানের পদ থেকে পদত্যাগ করেছি। কোনওদিনই দলের পদ চিরস্থায়ী হয় না। পদ ছাড়লেও দলের সঙ্গে আছি আগামিদিনেও থাকবে।” কিন্তু এবার দুর্নীতির অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করল পুলিশ।
তবে শুধু সেলিমই নন, দুর্নীতির অভিযোগে জেলায় শাসকদলের আরও দুই ‘ওজনদার’ নেতা দিবাকর জানা এবং প্রশান্ত দাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার কে অমরনাথ বলেন, ‘‘তিন জনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে গ্রেফতার হয়েছেন কাঁথি পুরসভার ঠিকাদার রাম পণ্ডা।’’
পুলিশ সূত্রে জানিয়েছে, চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে হলদিয়া পুরসভার তৃণমূলের কাউন্সিলর প্রশান্তকে। ওই ওয়ার্ডেরই বাসিন্দা জাহাঙ্গির হোসেন হলদিয়ার দুর্গাচক থানায় প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন। এর পরেই প্রশান্তকে দুর্গাচক থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। বিভিন্ন প্রশ্নের সদুত্তর না মেলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। এ ছাড়াও গ্রেফতার হয়েছে কাঁথি পুরসভার ঠিকাদার রাম পণ্ডা। তাঁকে কাঁথি থানার পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তিনিও বিরোধী দলনেতা ‘শুভেন্দু অধিকারী-ঘনিষ্ঠ’ বলেই পরিচিত। তাঁকে বৃহস্পতিবার কাঁথি মহকুমা আদালতে হাজির করানো হবে বলে খবর পুলিশ সূত্রে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রচুর বেনামি সম্পত্তি থাকার অভিযোগ রয়েছে সেলিমের বিরুদ্ধে। সেই বিষয় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য দিকে, টেন্ডার দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন মাতঙ্গিনী ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি দিবাকর। তাঁকে তাঁর অতিথিশালা থেকে তমলুক থানায় নিয়ে আসা হয়। ঘটনাচক্রে, দিবাকর কাঁথির ‘অধিকারী পরিবার-ঘনিষ্ঠ’ বলেই পরিচিত। পুলিশ সূত্রে দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে আগেও বহু বার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগ, শান্তিপুর ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির প্রধান পদে থেকে তিনি লাগাতার দুর্নীতি করেছেন। অভিযোগ, তৎকালীন এই এলাকার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দিবাকর জানা ওরফে লালুর সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে একটি ঠিকাদারি সংস্থা খোলেন।
এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে একের পর এক মূল্যবান জমি কেনাবেচার মাধ্যমে রীতিমতো এলাকার ত্রাস হয়ে ওঠেন এই দুই নেতা। বিষয়টি নজর এড়ায়নি তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের। এরপরই তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
খবর লাইভ : মেঘালয়ের বেআইনি কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, কমপক্ষে ১৮ শ্রমিকের মৃত্যুখবর লাইভ :…
খবর লাইভ : গভীর রাতে ভূকম্পনে কেঁপে উঠল উত্তরবঙ্গ। দার্জিলিং, শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়িতে প্রবল কম্পনে…
খবর লাইভ : রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড়সড় স্বস্তির খবর। প্রায় এক দশক ধরে চলা…
খবর লাইভ : পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুরোধ উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এসআইআর-এর কাজের জন্য রাজ্যের…
খবর লাইভ : পরনে ধুতি, মাথায় ইট ভর্তি ডালি নিয়ে এলাকার মানুষের সঙ্গে রাস্তা সংস্কারের…
খবর লাইভ : সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক সংক্রান্ত মামলার শুনানি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির…