খবর লাইভ : একই দলের হলেও জেলা রাজনীতিতে একে অপরের বিরোধী গোষ্ঠীর নেতা হিসেবেই দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত। সেই রেশ নতুন মাত্রা পেয়েছে সিঙ্গুরের টাটা কারখানার জমিতে ভেড়ির নামে মাটি পাচারের খবর করাকে কেন্দ্র করে। যা বাইপাসে আন্ডারপাসের দাবিতে সিঙ্গুরের বিধায়ক তথা মন্ত্রী বেচারাম মান্না আন্দোলন করলে সংবাদমাধ্যমে জাঙ্গিপাড়ার বিধায়ক তথা হুগলি জেলা তৃণমূলের সভাপতি স্নেহাশীষ চক্রবর্তীর মন্তব্যে ঘৃতাহুতি দিয়েছে। বেচারামের আন্দোলনকে কটাক্ষ করতে দেখা গিয়েছিল স্নেহাশীষকে। জাঙ্গিপাড়ার বিধায়ক ঘনিষ্ঠ সাংবাদিকরাই বেচারাম বিরুদ্ধ ওই খবর করাতে ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায় সিঙ্গুরের বিধায়ককে। ওই ঘটনার পর অবশ্য নিজের এলাকায় বেচারাম বা তাঁর স্ত্রী তথা হরিপালের বিধায়ক করবী মান্না বেআইনি কাজ বন্ধের জন্য পুলিশ ও প্রশাসনের ওপর চাপ তৈরি করেছেন। স্বামী-স্ত্রী জুটি নিজেদের এলাকায় বেআইনিভাবে মাটি কাটার কাজ থেকে শুরু করে, অবৈধ মদের দোকান কিংবা জুয়া বা সাট্টার ঠেক একেবারে বন্ধ করতে সফল হলেও একেবারে ব্যর্থ স্নেহাশীষ। তাঁর বিধানসভা এলাকার মশাট, বাঁধপুর, কল্যাণবাটিতে রমরমিয়ে চলছে বেআইনিভাবে মাটি কাটার কাজ।
আরও পড়ুন- ঝালদা পুরনো থানায় আগুন, সংরক্ষিত আছে শহরের সব সিসিটিভির ফুটেজ
পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয় থাকার অভিযোগ তুলে এলাকার লোকজন বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগও করেছেন। বিধায়ক কেন এই ধরনের বেআইনি কাজ বন্ধ করতে বলছেন না তা নিয়েও অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন। তবে স্নেহাশীষ ঘনিষ্ঠ সাংবাদিকরা সেই খবর করছেন না বলে বেচারাম মান্না অনুগামীদের দাবি। কিছুদিন আগেই বেচারাম সরাসরি টাকার বিনিময়ে সাংবাদিকদের পক্ষ নেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন।
বেচারাম মান্না বা স্নেহাশীষ চক্রবর্তী কারোরই কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। আপাতত বেচারাম ২ স্নেহাশীষ ০ অবস্থায় ম্যাচ চলছে।




