খবর লাইভ : তাঁদের যুগলবন্দী দেখা গিয়েছে একুশের নির্বাচনে। দুইজনই মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র। যদিও সেই যুগলবন্দী খুব একটা কাজে আসেনি। অবিভক্ত মেদিনীপুরের ৩৫টি আসনের মধ্যে মাত্র ৯টি আসনেই থেমে গিয়েছে সেই দৌড়। যুগলবন্দীও এখন আর খুব একটা দেখা যায় না। আর এবার তো একজন সরিয়ে অন্যজনকে তাঁর পদে আসীন করার পালা শুরু হয়ে গেল। অন্তত রাজ্য বিজেপির অন্দরে তেমনই জল্পনা ছড়িয়েছে।
মানে সরছেন দিলীপ, রাজ্য বিজেপির সভাপতির পদ থেকে। আর তাঁর জায়গায় আসছেন শুভেন্দু অধিকারী। বাংলায় শিশিরপুত্রের হাতেই দলের দায়িত্ব তুলে দিতে চাইছেন মোদি-শাহ-নাড্ডারা। তার আগেই এদিন জরুরি তলবে শুভেন্দুকে ডেকে পাঠানো হল দিল্লি। যদিও দিলীপের জায়গায় শুভেন্দু আসছেন এটা নিছকই জল্পনা বলেই দাবি দিলীপ ঘনিষ্ঠদের। বরঞ্চ তাঁদের দাবি, দিলীপ থাকছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতির পদেই। বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদ থেকে সরানো হতে পারে শুভেন্দুকে। কারণ তিনি গ্রেফতার হতে পারেন যে কোনও মুহুর্তে।
রাতারাতি দিল্লিতে জরুরি তলব করা হয়েছে শুভেন্দুকে। কিন্তু কারণ স্পষ্ট নয়! আবার সেই ডাক এসেছে খোদ শাহী দরবার থেকে। কেন অমিত শাহ নিজের বাসভবনে ডেকে পাঠালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে! কেনই বা ডাকা হল না রাজ্যের অন্যান্য নেতাকে, সেই প্রশ্নই এখন রাজ্য বিজেপির নেতাদের মুখে মুখে ঘুরছে। একটি সূত্র বলছে, ভোট পরবর্তী হিংসা পরিস্থিতে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দেওয়ার সময় হাজির থাকার জন্য এই তলব। অপর একটি অংশের দাবি, শুভেন্দুকেই এখন মুখ করে বাংলায় দলের জমি তৈরি করতে চাইছেন মোদি-শাহ। সেই রণকৌশল ঠিক করতেই শুভেন্দুকে তলব। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, দল শুভেন্দুকে যতটা গুরুত্ব দিয়েছে, সেই অনুযায়ী রাজ্যে দলের ভালো ফল হয়নি। তারওপর এখন কাঁথি পুরসভা থেকে ত্রিপল চুরির কাণ্ডে তাঁর নাম যেমন জড়িয়েছে তেমনি সেচ বাঁধ কাণ্ডে তিনিই কার্যত রাজ্য সরকারের টার্গেট হয়ে উঠেছেন। যা অবস্থা তাতে যে কোনও মুহুর্তে তিনি গ্রেফতার হতে পারেন। দল যাকে বাংলায় মুখ করে এগোতে চাইছে তিনিই যদি এই সব বিতর্কিত মামলায় জড়িয়ে পড়েন তাহলে তাঁকে নিয়ে কী করে এগোবে দল। মূলত এই বিষয়ে আলোচনার জন্যই দিল্লিতে জরুরি তলব পড়েছে শুভেন্দুর।
রাজ্য বিজেপির একাংশ কার্যত দাবি তুলেছেন, শুভেন্দুকে বিরোধী দলনেতার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হোক। কেননা যদি ত্রিপল চুরি ও সেচ বাঁধ দুর্নীতি কাণ্ডে তিনি গ্রেফতার হন ও দোষী সাব্যস্ত হন তাহলে দলের পক্ষে তা খুবই অপমানকর বিষয় হয়ে দাঁড়াবে। শুভেন্দু দোষী বা দোষী নন তা ঠিক করবে আদালত। এখন তিনি শুধুও অভিযুক্ত। তবুই গ্রেফতার হলে দলের মুখ পুড়তে বাধ্য। তাই তাঁকে সরানো হোক বিরোধী দলনেতার পদ থেকে। এমন দাবিই গিয়েছে মোদি-শাহের কাছে। সেই সব নিয়ে আলোচনার জন্যই জরুরি ভিত্তিতে তলব পড়েছে শুভেন্দুর। এমনটাই দাবি রাজ্য বিজেপিতে থাকা শুভেন্দু বিরোধী গোষ্ঠীর। তবে শুভেন্দু ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন, শিশিরপুত্রের হাতে বাংলায় দলের দায়িত্ব এখনই তুলে দিচ্ছেন না মোদি-শাহরা। দিলীপ তাঁর নিজের পদেই থাকছেন। তবে শিশিরপুত্রকেই আগামী দিনে দলের মুখ হিসাবে তুলে ধরে বাংলায় এগোতে চাইছে বিজেপি। কারন বিজেপি দেশের বিভিন্ন রাজ্যে এভাবেই ভিন্ন দলের নেতাদের ভাঙিয়ে এনে তাঁদের সামনে রেখে লড়াই করে সাফল্য পেয়েছে। সেই ফর্মুলাকে সামনে রেখে এগোতে চান মোদি-শাহ। শুভেন্দুকে ডেকে দলের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া, বা কিছু ঘোষণা করা সেই সব রণনীতির কৌশলই। তাই শুভেন্দুকে জরুরি তলবের সঙ্গে কাঁথির ত্রিপল চুরি বা সেচ বাঁধ কাণ্ডের কোনও যোগ নেই। এমনটাই দাবি শুভেন্দু ঘনিষ্ঠদের।
খবর লাইভ : মেঘালয়ের বেআইনি কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, কমপক্ষে ১৮ শ্রমিকের মৃত্যুখবর লাইভ :…
খবর লাইভ : গভীর রাতে ভূকম্পনে কেঁপে উঠল উত্তরবঙ্গ। দার্জিলিং, শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়িতে প্রবল কম্পনে…
খবর লাইভ : রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড়সড় স্বস্তির খবর। প্রায় এক দশক ধরে চলা…
খবর লাইভ : পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুরোধ উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এসআইআর-এর কাজের জন্য রাজ্যের…
খবর লাইভ : পরনে ধুতি, মাথায় ইট ভর্তি ডালি নিয়ে এলাকার মানুষের সঙ্গে রাস্তা সংস্কারের…
খবর লাইভ : সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক সংক্রান্ত মামলার শুনানি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির…