রাজ্যের তরফে আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এর আগে মুর্শিদাবাদের ঘটনায় ৫০০ জন গ্রেফতার হয়েছে । ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরানো হয়েছে। বিচারপতি তখন জানতে চান, এখন কী ব্যবস্থা হয়েছে। রাজ্যের তরফে জানানো হয়, আমরা প্রসাশনিকভাবে সব সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পুলিশ খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয়।
ঘটনাক্রম বিবরণ দিয়ে রাজ্যের তরফে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, শুক্রবার আলাউদ্দিনের মৃত্যু ঝাড়খণ্ডে হয়। ১২.১৫ টা নাগাদ একজন সাংবাদিককে মারধর করা হয়। তারপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তিনি জানান, ৩১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। চারটি মামলা রুজু হয়েছে থানায়। ৫ কোম্পানি সিএপিএফ ক্যাম্প রয়েছে, এবং তাঁদের ব্যবহারও করা হয়েছে বলে রাজ্যের দাবি, এলাকায় টহল দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।
বেলডাঙার পরিস্থিতি এখন সব স্বাভাবিক, বাজার খুলে গিয়েছে বলে রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে। তখন রাজ্যের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতির তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য, ইতিমধ্যেই সিএপিএফ সেখানে মোতায়েন রয়েছে। সেই ফোর্স ব্যবহার করা হোক জীবন ও জীবিকা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য। ফোর্স কম থাকলে, আরও বেশি ফোর্স কেন্দ্র অনুমোদন দিক।
বিচারপতি সেন রাজ্যের উদ্দেশে বলেন, মামলাকারীর অভিযোগ, পরিস্থিতি সামলাতে রাজ্য ব্যর্থ। ঘটনা ঘটার সময় বাহিনী ব্যবহার করেনি রাজ্য। রাজ্যের আইনজীবীকে বিচারপতির প্রশ্ন, মামলাকারীর এই অভিযোগের ভিত্তিতে কী বলবেন? তা শুনেই রাজ্যের আইনজীবী বলেন, এটা নতুন কোনও অভিযোগ নয়। আসলে ওনার মক্কেল চান সিএপিএফ, বিএসএফ সব জায়গায় চলে আসুক।