মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত গুরুতর আখ্যা দিয়ে সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন, যেখানে তিনি বলেন এসআইআর প্রক্রিয়ার কারণে ভোটারদের হয়রানি হচ্ছে, এবং এমনকি বড় বড় ব্যক্তিত্বদের, যেমন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, ক্রিকেটার মহম্মদ শামি ও অভিনেতা-সাংসদ দীপককে হিয়ারিংয়ের নোটিশ পাঠানো হয়েছে, যা তিনি ‘ভয়াবহ অবস্থা’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।
শুভেন্দু চিঠিতে বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এসআইআর প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার কৌশল ছাড়া কিছু নয় এবং এগুলো ন্যায্য ভোটার তালিকা সংস্কারের যোজনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা, যা বাঙালিকে অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয়। তিনি দাবি করেন, মমতার দেওয়া মৃত্যু ও অন্যান্য উচ্চগুরুত্বপূর্ণ তথ্য মনগড়া এবং সেসবের পক্ষে কোনও বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ নেই।
চিঠির শেষে শুভেন্দু কমিশনারের প্রতি অনুরোধ করেন, রাজনৈতিক চাপ ও বিভ্রান্তিকর অভিযোগের বাইরেও, এসআইআর প্রক্রিয়াকে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে উদ্যোগ নিতে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, এই উত্তরের মাধ্যমে শুভেন্দু তাঁর দলের অবস্থানকে আরও দৃঢ় করে তুলেছেন এবং আগামী বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যে চলমান বিতর্ক আরও তীব্র হচ্ছে।
মুখ্যমন্ত্রীর চিঠির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি লিখলেন শুভেন্দু। এর আগেও মুখ্যমন্ত্রীর চিঠির পরই চিঠি লিখেছিলেন তিনি। এবারও যে মুখ্যমন্ত্রীর চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে তিনি চিঠি লিখছেন, চিঠির বিষয়বস্তুতেই তা পরিষ্কার করে দেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। মুখ্যমন্ত্রী তিন পাতার চিঠি পাঠিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমারকে। বিধানসভার বিরোধী দলনেতাও তিন পাতার চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রীর প্রত্যেকটি অভিযোগকে খারিজ করে যুক্তি দিয়েছেন।