খবর লাইভ : বাবড়ি মসজিদ শিলান্যাসের পর থেকে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলা মুর্শিদাবাদে তৃণমূল কংগ্রেসের ঘর কি ভাঙতে চলেছে? সম্প্রতি প্রাক্তন জেলা পরিষদের সভাধিপতি বৈদ্যনাথ ঘোষ বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। এখন আরও কিছু নাম কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে যারা তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে অন্যত্র পা বাড়াতে চাইছেন। জেলা পরিষদের সদস্য ও প্রাক্তন জেলা মহিলা সভানেত্রী তৃণমূল ছাড়ার ব্যাপারে মন স্থির করে ফেলেছেন বলে জানিয়েছেন।
গত বছর ডিসেম্বরে বাবড়ি মসজিদ নির্মান করবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবির। পরবর্তীতে নিজস্ব দল ঘোষণা করার বার্তা দিয়েছেন। তবুও কোনও হেলদোল দেখা যায়নি তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের। যদিও শেষমেশ তাঁকে সাসপেন্ড করে তৃণমূল কংগ্রেস। এখন তো তৃণমূলকে রাজ্যের শাসন ক্ষমতা থেকে হঠিয়ে দেওয়ার শপথ নিয়েছেন হুমায়ুন। এদিকে মুর্শিদাবাদে হুমায়ুন যখন নতুন দল গঠন নিয়ে চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েছেন, তারই মাঝে গত কয়েকবছর ধরে গুটি গুটি পায়ে সংগঠন মজবুত করছে আসাদ-উদ্দীন ওয়াইসির এআইএমআইএম ও নওশাদ সিদ্দীকির আইএসএফ। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহসভাধিপত ও বর্তমান সদস্য শাহনাজ বেগম।
দলের ভূমিকায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ এই মহিলা নেত্রী। এর আগে একাধিকবার তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে দলের একাংশের দুর্নীতি নিয়ে চিঠি দিয়েছেন। জানিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। তবে কংগ্রেসে ফিরে যাবেন না অন্য কোনও দলে যোগ দেবেন সেই সিদ্ধান্ত এখনও নেননি শাহনাজ বেগম। তবে এই দলে থেকে আর রাজনীতি করবেন না সেই সিদ্ধান্ত একপ্রকার পাকা বলে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, এখন মনে হচ্ছে তৃণমূল যা করছে আমার পুরনো দলে ফিরে যাই। আমি যদি বলি পুরনো দলে ফিরবো না তাহলে মিথ্যা বলা হবে। আমি কংগ্রেসেই ফিরবো সেটাও মিথ্যা বলা হবে। কারণ আমি এখনও সিদ্ধান্ত কিছু নিইনি। কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত একটা নেব। এদের(তৃণমূলের) সঙ্গে রাজনীতি করা যাবে না। টানা ৪ বছর আমাকে মিটিং, মিছলে ডাকে না। যেহেতু আমি ওদের মতো চোর হতে পারিনি, মুখের ওপর সত্যি বলি।”
মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের অনিয়ম-বেনিয়ম, কাজে অনগ্রসরতা, মিটিং না ডাকা নিয়ে শাহনাজ খোলা চিঠি লিখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তাঁর বক্তব্য, একাধিকবার জেলা প্রশাসন থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েও কোনও লাভ হয়নি। আমি ২০২৩ সাল থেকে ক্রমাগত জেলা পরিষদ নিয়ে সচেতন করার চেষ্টা করেছি, কিন্তু পারিনি। আমারও তো একটা ধৈর্যের সীমা আছে। আমরা কংগ্রেসকে চ্যালেঞ্জ করে জেলা পরিষদ ভেঙেছিলাম। তখন অপূর্ব সরকাররা তৃণমূলে ছিলেন না। তখন এখনকার সভাধিপতিও ছিলেন না। তখন অধীর চৌধুরী মধ্য়গগনে। জেলা পরিষদ ভেঙে ছিলাম। আমি ক্রমাগত তৃণমূল বাঁচানোর চেষ্টা করছি, দল আমাকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। আমি একটা সময় সিদ্ধান্ত নেব। আমি ভয়ঙ্কর সিদ্ধান্ত নেব। কারণ সিপিএমের মতো রেজিমেন্টেড দলের বিরুদ্ধে লড়াই করে বড় হয়েছি। কংগ্রেসকে শক্তিশালী করেছি। তারপর অধীরকে চ্যালেঞ্জ করে তৃণমূলে থেকে লড়াই করেছি।
খবর লাইভ : মেঘালয়ের বেআইনি কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, কমপক্ষে ১৮ শ্রমিকের মৃত্যুখবর লাইভ :…
খবর লাইভ : গভীর রাতে ভূকম্পনে কেঁপে উঠল উত্তরবঙ্গ। দার্জিলিং, শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়িতে প্রবল কম্পনে…
খবর লাইভ : রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড়সড় স্বস্তির খবর। প্রায় এক দশক ধরে চলা…
খবর লাইভ : পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুরোধ উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এসআইআর-এর কাজের জন্য রাজ্যের…
খবর লাইভ : পরনে ধুতি, মাথায় ইট ভর্তি ডালি নিয়ে এলাকার মানুষের সঙ্গে রাস্তা সংস্কারের…
খবর লাইভ : সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক সংক্রান্ত মামলার শুনানি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির…