খবর লাইভ : আমেদাবাদের বিমানবন্দরের অদূরে ভেঙে পড়া ড্রিমলাইনারের ব্ল্যাক বক্সের তথ্য ডি-কোড করতে কি তা আমেরিকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে? ভারতের ল্যাবে সেই তথ্য ডি-কোড করতে সমস্যা হচ্ছে, অসমর্থিত সূত্রে এমন খবর সামনে আসার পরে নতুন করে এই জল্পনার কথা সামনে এসেছে। কেন্দ্রীয় সরকার অবশ্য এ নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করছে না।
১২ জুন আমেদাবাদ থেকে লন্ডনের গ্যাটউইকে উড়ে যায় এয়ার ইন্ডিয়ার ড্রিমলাইনার। কিন্তু, টেক-অফ করার প্রায় ২০ সেকেন্ডের মধ্যে সেটি কাছের বিজে মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলে মুখ থুবড়ে পড়ে।
বিমানের দুই পাইলট, ১০ জন ক্রু এবং ২২৯ জন যাত্রী সঙ্গে সঙ্গে মারা যান। বেঁচে যান মাত্র একজন যাত্রী। মারা যান আশপাশের বেশ কিছু মানুষও। সংখ্যাটি এখনও পরিষ্কার নয়।
বিমান দুর্ঘটনার পরে দুই পাইলটের মৃত্যু হলে তখন দুর্ঘটনার কারণ জানতে একমাত্র ভরসা ব্ল্যাক বক্সে থাকা দুই ধরনের তথ্য। এক, ডিজিটাল ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার (ডিএফডিআর) এবং ককপিট ভয়েস রেকর্ডার (সিভিআর)। দু’টিকে মিলিয়ে ব্ল্যাক বক্স বলা হয়।
ডিএফডিআর-এর মধ্যে বিমানের সমস্ত যন্ত্রের তথ্য সংরক্ষিত থাকে। ফলে, কোনও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে যদি দুর্ঘটনা ঘটে থাকে, তা বোঝা যায় ডিএফডিআর–এর তথ্য থেকে। সিভিআর-এ থাকে ককপিটের ভিতরে সমস্ত কথোপকথন।
বলা হয়, শেষ মুহূর্তে পাইলটদের কথা থেকেও কারণ জানা সম্ভব হয়। সে দিন পাইলট ‘মে–ডে’ (চূড়ান্ত ইমারজেন্সিতে পাইলট যে কল করেন) বলার পরে আর কোনও যোগাযোগ হয়নি আমেদাবাদের এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল (এটিসি)-এর সঙ্গে।
ফলে, ঠিক কী হয়েছিল, তা আর জানা যায়নি। ভরসা শুধু ব্ল্যাক বক্স। প্রতিটি বিমানের ভিতরে সযত্নে দু’টি আলাদা বাক্সের মধ্যে সংরক্ষিত থাকে এই দুই ধরনের তথ্য।
অভিযোগ উঠেছে, সে দিন ভেঙে পড়া ড্রিমলাইনারে থাকা ব্ল্যাক বক্সের আউটার সারফেস অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত। যার প্রভাব পড়েছে ভিতরে থাকা তথ্যেও। বলা হচ্ছে, মূলত সিভিআর-এর এতটাই ক্ষতি হয়েছে, তাতে ভারতে যে ধরনের পরীক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে, সেখানে তা থেকে পরিষ্কার করে কিছু শোনা যাচ্ছে না।
বিশেষজ্ঞদের দাবি, একটি ব্ল্যাক বক্স ১০৫০ থেকে ১১০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত অক্ষত থাকে। এমন ভাবেই তাকে বানানো হয়। কারণ, পেটে জ্বালানি থাকায় প্রতিটি বিমান দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায় এবং তার তাপমাত্রা ভয়াবহ স্তরে পৌঁছয়।
একটি সূত্রের দাবি, ১২ জুন ভেঙে পড়ার পরে ড্রিমলাইনারের ভিতরের তাপমাত্রা ১২০০ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছে যায়। সেই কারণেই নাকি ক্ষতি হয়েছে ব্ল্যাক বক্সের।
স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, আমেরিকায় যদি সেই ব্ল্যাক বক্স ডি–কোড করা যেতে পারে, তা হলে ভারতে নয় কেন? ভারতে এ কারণে কেন অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরি তৈরি করা হচ্ছে না? দেশের অভ্যন্তরের দুর্ঘটনার তদন্ত কেন বিদেশের মাটিতে গিয়ে করতে হচ্ছে?
খবর লাইভ : মেঘালয়ের বেআইনি কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, কমপক্ষে ১৮ শ্রমিকের মৃত্যুখবর লাইভ :…
খবর লাইভ : গভীর রাতে ভূকম্পনে কেঁপে উঠল উত্তরবঙ্গ। দার্জিলিং, শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়িতে প্রবল কম্পনে…
খবর লাইভ : রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড়সড় স্বস্তির খবর। প্রায় এক দশক ধরে চলা…
খবর লাইভ : পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুরোধ উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এসআইআর-এর কাজের জন্য রাজ্যের…
খবর লাইভ : পরনে ধুতি, মাথায় ইট ভর্তি ডালি নিয়ে এলাকার মানুষের সঙ্গে রাস্তা সংস্কারের…
খবর লাইভ : সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক সংক্রান্ত মামলার শুনানি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির…