খবর লাইভ : ২০০৮ সালে IPL-এর প্রথম ম্যাচটা খেলতে নেমেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। তার পর কেটে গিয়েছে ১৭ বছর। বিশ্ব ক্রিকেটের তাবড় প্লেয়ারদের দলে নিলেও কাঙ্খিত সাফল্য আসেনি, ট্রফিটা অধরাই থেকে গিয়েছে। এ বার রজত, জিতেশ, সূয়শদের মতো তরুণদের নিয়ে সেই ট্রফি জিতল RCB। অধিনায়ক হয়েও যেটা পারেননি বিরাট কোহলি, সেটা অধিনায়কের পাশে থেকে করে দেখালেন তিনি। ১৮-র IPL-এ ১৮ নম্বর জার্সির বিরাট হাতে তুললেন IPL ট্রফি। ফাইনালে পাঞ্জাবকে ৬ রানে পরাস্ত করল RCB।
পাঞ্জাব কিংস এ দিন টস জিতে ব্যাটিং করতে পাঠায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে। গত তিনবারই RCB ফাইনালে রান তাড়া করেছিল এবং ব্যর্থ হয়েছিল। এ বার ছবিটা বদল হওয়ায় সমর্থকরা আশা করেছিলেন ফলও বদল হবেও। সেটাই হলো।
ওপেনে নেমে ফিল সল্ট নিজের চেনা মেজাজে শুরু করেন। ৯ বলে ১৬ রানের ইনিংস খেলেন। তিনি শর্ট বলে উইকেট দিয়ে ফেরেন। কাইল জেমিসনের বলে তিনি আউট হন। এর পর নজর ছিল বিরাট কোহলির দিকে। তিনি ৩৫ বলে ৪৩ করলেও তাঁর ১২২.৮৬-এর স্ট্রাইক রেট নিন্দার মুখে পড়ে।
বিরাটের পর মায়াঙ্ক আগরওয়াল, রজত পতিদার, লিয়াম লিভিংস্টোন, জিতেশ শর্মা কেউই বড় রান করতে পারেননি। RCB-র ব্যাটারদের ফেরানোর নেপথ্যে ছিল শ্রেয়সের নিখুঁত পরিকল্পনা। শরীর লক্ষ্য করে শর্ট বল। যেটা তিনি করালেন অর্শদীপ সিং, কাইল জেমিসনদের দিয়ে। দুই বোলারই তিনটে করে উইকেট পান। একটি করে উইকেট নেন আজ়মাতুল্লা ওমরজ়াই, বিজয়কুমার বৈশাক ও যুজ়বেন্দ্র চাহাল।
রান তাড়া করতে নেমে RCB-র থেকে কিছুটা দ্রুত গতিতে রান তোলে পাঞ্জাব কিংস। প্রিয়াংশ আর্য ও প্রভসিমরন সিংয়ের ওপেনিং জুটি করে ৪৩ রান। তবে দুই ব্যাটারই কম স্ট্রাইক রেটে শেষ করেন। প্রিয়াংশ করেন ২৪ ও প্রভসিমরন করেন ২৬। শুরুতে যেই দ্রুত গতিতে রান করা দরকার ছিল সেই গতিটা ধরতে পারেননি তাঁরা।
আমেদাবাদের পিচে ম্যাচ যত এগোতে থাকে ততই স্লো হতে থাকে পিচ। এই সময়ে RCB কাজে লাগায় ক্রুনাল পান্ডিয়া ও ইমপ্যাক্ট সাপ সূয়শ শর্মাকে। ক্রুনাল ফেরান প্রভসিমরন সিং ও জশ ইংলিশকে। অন্যদিকে সূয়শ রান চাপতে থাকেন। এই স্পিনারদের ভেল্কির মাঝে শ্রেয়স আইয়ারকে ফেরান রোমারিও শেফার্ড। তিনি মাত্র ১ রান করে ফেরেন। ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় কিপারের হাতে এবং সেটা ধরতে ভুল করেননি জিতেশ শর্মা। শ্রেয়স, ইংলিশ ফেরার পরে কোমর ভাঙে পাঞ্জাবের।
এর পর IPL-এ লাল হলুদ জার্সির আশা ছিল নেহাল ওয়াধেরা, শশাঙ্ক সিং ও মার্কোস স্টোইনিসদের হাতে। কিন্তু শশাঙ্ক বাদে আর কেউই রান পেলেন না। ফলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৮৪ রানে থামে পাঞ্জাবের ইনিংস।
RCB এ বার তাদের বোলিং লাইনআপ সবচেয়ে শক্তিশালী করেছিল। সেটারই ফল পেল। যেই স্টেডিয়ামে ২০০-র বেশি রান হতো, সেই স্টেডিয়ামে ১৯০ রান আটকে দিলেন ভুবনেশ্বর কুমার, জশ হ্যাজ়েলউড, সূয়শ শর্মারা। বহু যুদ্ধের নায়ক ভুবনেশ্বর কুমার নেন দুটি উইকেট। ক্রুনালও নেন দুটি। একটি করে উইকেট নেন যশ দয়াল, জশ হ্যাজ়েলইউড ও রোমারিও শেফার্ড।
খবর লাইভ : মেঘালয়ের বেআইনি কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, কমপক্ষে ১৮ শ্রমিকের মৃত্যুখবর লাইভ :…
খবর লাইভ : গভীর রাতে ভূকম্পনে কেঁপে উঠল উত্তরবঙ্গ। দার্জিলিং, শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়িতে প্রবল কম্পনে…
খবর লাইভ : রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড়সড় স্বস্তির খবর। প্রায় এক দশক ধরে চলা…
খবর লাইভ : পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুরোধ উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এসআইআর-এর কাজের জন্য রাজ্যের…
খবর লাইভ : পরনে ধুতি, মাথায় ইট ভর্তি ডালি নিয়ে এলাকার মানুষের সঙ্গে রাস্তা সংস্কারের…
খবর লাইভ : সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক সংক্রান্ত মামলার শুনানি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির…