অসমে ভয়াবহ পরিস্থিতি:
অসমের ১৯টি জেলায় প্লাবিত হয়েছে ৭৬৪টি গ্রাম। রাজ্যের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১০। কাছাড় জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত, সেখানে এক লক্ষের বেশি মানুষ বিপর্যয়ের কবলে পড়েছেন। শ্রীভূমি, নগাঁও ও লখিমপুর জেলাতেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বিপুল। বর্তমানে রাজ্যজুড়ে খোলা হয়েছে ১৫৫টি ত্রাণশিবির, যেখানে আশ্রয় নিয়েছেন প্রায় ৫৫ হাজার মানুষ।
অরুণাচল ও সিকিমে ভূমিধসের তাণ্ডব:
অরুণাচল প্রদেশে ভূমিধসে প্রাণ হারিয়েছেন ৯ জন, যাদের মধ্যে সাতজন পূর্ব কামেং জেলার এবং দুইজন জ়িরো ভ্যালির বাসিন্দা। উত্তর সিকিমে আটকে পড়েছেন প্রায় ১২০০ পর্যটক। ২৯ মে তিস্তা নদীতে একটি পর্যটকবাহী গাড়ি পড়ে গেলে নিখোঁজ হন ৮ জন।
মণিপুর ও মেঘালয়েও মারাত্মক ক্ষতি:
মণিপুরের ইম্ফল পূর্ব এবং ইম্ফল পশ্চিম জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। সেনাবাহিনী ইতিমধ্যেই প্রায় ১৫০০ মানুষকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে। মেঘালয়ের ১০টি জেলায় দেখা দিয়েছে হড়পা বানের প্রকোপ।
কেন্দ্রের নজর ও সতর্কতা:
রবিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ অসম, সিকিম ও অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী এবং মণিপুরের রাজ্যপালের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। তিনি পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন।
এদিকে, আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে। জারি করা হয়েছে লাল সতর্কতা।