খবর লাইভ : নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। নিয়োগ বিধিতেও বদল করা হয়েছে। নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, চাকরিহারা শিক্ষকদের অভিজ্ঞতার কথা বিবেচনা করা হবে। নতুন নিয়োগ বিধিতে শিক্ষকতার পূর্ব অভিজ্ঞতার জন্য ১০ নম্বর বরাদ্দ করা হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিজ্ঞপ্তি ও নতুন নিয়োগ বিধি নিয়ে কী বলছেন চাকরিহারা শিক্ষকরা? পরীক্ষায় বসার ব্যাপারে নিজেদের অবস্থান কি তাঁরা নমনীয় করছেন?
যোগ্য শিক্ষিক শিক্ষিকা অধিকার মঞ্চের অন্যতম মুখ চাকরিহারা শিক্ষক চিন্ময় মণ্ডল। নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিজ্ঞপ্তি নিয়ে তিনি বলেন, নোটিফিকেশন জারি হয়ে এটা ভাল খবর। যাঁরা চাকরির পরীক্ষার জন্য এতদিন অপেক্ষা করেছিলেন, তাঁদের জন্য এটা ভাল খবর। কিন্তু, আমরা যোগ্য শিক্ষকরা কেন সেই চাকরির পরীক্ষায় ফের যাব? এতদিন যাঁরা চাকরি করছেন, সেই যোগ্য শিক্ষকদের জন্য একই নিয়ম বলবৎ হতে পারে না। আমাদের তো কোনও দোষ নেই।”
রাজ্য বলছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এই নিয়ে চিন্ময় মণ্ডল বলেন, “বিগত দিনে হাইকোর্ট ওএমআর প্রকাশের রায় দিয়েছিল। করা হয়নি। যোগ্য-অযোগ্য তালিকা জমা দিতে বলেছিল। দেওয়া হয়নি। কোনও উত্তর দেওয়া হয়নি। ডিএ নিয়ে রায় মানা হয়নি। উচ্চ আদালতে আবেদন করা হচ্ছে। আর এখন বলছেন, সুপ্রিম কোর্টের রায় মানতে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হচ্ছে। দেখছেন ভোটের আগে একটা পরীক্ষা নিলে ভাল হয়। সকলকে নিয়ে নিতে পারলে ভাল হয়। দুর্নীতিকে চাপা দেওয়া যাবে। আদালতের রায় মানুন। কিন্তু, যোগ্যদের পুনর্বহাল করতে হবে।”
শিক্ষকতার পূর্ব অভিজ্ঞতার জন্য ১০ নম্বর রয়েছে। এই নিয়ে চিন্ময় মণ্ডল বলেন, “৬০ নম্বরের কাট অফ ক্লিয়ার করলেই পরবর্তী স্টেপে যাওয়া যাবে। আমরা ১০ বছর চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির বাইরে। নতুনদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা যায়? তাছাড়া আমাদের যে অধিকার, তা কেন ছেড়ে দেব? পরীক্ষা এর সুরাহা হতে পারে না। শূন্যপদে শুধু নতুনদের নিয়োগ করা দরকার।”
আন্দোলনরত আর এক চাকরিহারা বলেন, “নিয়োগ বিধি যে জারি হয়েছে, সেখানে ১০ নম্বর শিক্ষকতার পূর্ব অভিজ্ঞতার জন্য, লেকচার ডেমোস্ট্রেশনের জন্য ১০ নম্বর ও ১০ নম্বর ইন্টারভিউয়ের জন্য রয়েছে। অর্থাৎ আরও যাতে সুন্দরভাবে দুর্নীতি করা যায়, তারই ব্যবস্থা করেছেন। দুর্নীতির দায় ঝেড়ে ফেলতেই এই পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।”
চাকরির পরীক্ষা নিয়ে অন্য এক চাকরিহারা আন্দোলনকারী বলেন, “১০ বছর আগে সিলেবাস পড়ে চাকরি পেয়েছিলাম। এখন হাতে ২ মাস। আমাদের স্কুল করতে বলেছেন। স্কুল করে এসে ২ মাসে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব? ফ্রেশারদের থেকে কি পিছিয়ে যাব না? পরীক্ষা বাদে অন্য যদি কোনও ব্যবস্থা করতে পারেন, সেটা দেখুন। আমরা পরীক্ষা দেব না। রাত ১২টার দিকে বিজ্ঞপ্তি জারি করছেন। নোটিস দিচ্ছেন। যখন আদালত বন্ধ, তখন ফর্ম পূরণের সময় দিচ্ছেন। আমাদের সঙ্গে কি অন্যায় হচ্ছে না?”
আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেন, “আগের নিয়ম থেকে কিছু পরিবর্তন হয়েছে। আগে শিক্ষাগত যোগ্যতায় ৩৫ নম্বর ছিল। এখন সেটা ১০ হয়েছে। এর অর্থ যাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কম, তাঁদের নেওয়ার রাস্তা প্রশস্ত করা। আগে সাদা খাদা জমা দিত। এখন প্রশ্ন বিক্রি হবে। এরপর শিক্ষাগত যোগ্যতায় যাঁরা দুর্বল, তাঁদের লেকচার ডেমোস্ট্রেশন ও ইন্টারভিউয়ে বেশি নম্বর দিয়ে চাকরি দেবে। চুরির রাস্তা আরও যাতে প্রশস্ত হয়, তার বন্দোবস্ত করেছে রাজ্য।”
খবর লাইভ : মেঘালয়ের বেআইনি কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, কমপক্ষে ১৮ শ্রমিকের মৃত্যুখবর লাইভ :…
খবর লাইভ : গভীর রাতে ভূকম্পনে কেঁপে উঠল উত্তরবঙ্গ। দার্জিলিং, শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়িতে প্রবল কম্পনে…
খবর লাইভ : রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড়সড় স্বস্তির খবর। প্রায় এক দশক ধরে চলা…
খবর লাইভ : পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুরোধ উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এসআইআর-এর কাজের জন্য রাজ্যের…
খবর লাইভ : পরনে ধুতি, মাথায় ইট ভর্তি ডালি নিয়ে এলাকার মানুষের সঙ্গে রাস্তা সংস্কারের…
খবর লাইভ : সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক সংক্রান্ত মামলার শুনানি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির…