খবর লাইভ : ১১৯ দিন পর আজ, ১৫ জুলাই ডিএ মামলার শুনানি হওয়ার কথা। এর আগে ১২বার ডিএ মামলার শুনানি পিছিয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। এর আগে গত ১৮ মার্চ শেষবর সুপ্রিম কোর্টে বকেয়া ডিএ মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। তবে সেদিন শুনানি হয়নি। এই আবহে মামলাটি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এই আবহে বিগত প্রায় বেশ কয়েক মাস ধরে অপেক্ষায় আছেন বাংলার সরকারি কর্মীরা। তবে ১৫ জুলাই এই মামলাটির সিরিয়াল নম্বর ৬০।
উল্লেখ্য, গত ২০২২ সালের ২০ মে হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে তিন মাসের মধ্যে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দিতে হবে। সেই রায় চ্যালেঞ্জ করে রিভিউ পিটিশন দাখিল করেছিল রাজ্য। তা খারিজ হয়ে গিয়েছিল। তারইমধ্যে রাজ্যের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলার দায়ের করেছিল তিনটি রাজ্য সরকারি কর্মচারী সংগঠন। সেই মামলার মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করে রাজ্য।
এরপর ২০২২ সালের ২৮ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টে প্রথমবারের মতো ডিএ মামলাটি উঠেছিল। এর পর থেকে একের পর এক তারিখ দেওয়া হলেও নানা কারণে সম্পূর্ণ শুনানি হয়নি। হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বকেয়া ডিএ না দেওয়ায় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অবাননার মামলা হয়। তবে আপাতত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেই মামলার শুনানি স্থগিত রয়েছে কলকাতা হাই কোর্টে।
২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর মামলাটির শেষ বার শুনানি হয়েছিল। ওই বছর নভেম্বরের ৩ তারিখ সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছিল, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ নিয়ে আরও বিস্তারিত শুনানি প্রয়োজন। তার পরে সময়ের অভাবে মামলাটির আর শুনানি হয়ে ওঠেনি। বারবার মামলা উঠেছে আদালতে। তবে শুনানি আর হয়নি।
প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টে ডিএ সংক্রান্ত যে মামলা চলছে, সেটা পঞ্চম বেতন কমিশন সংক্রান্ত। ২০১৬ সাল থেকে সেই মামলা চলছে। যা স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনাল, কলকাতা হাইকোর্ট হয়ে সুপ্রিম কোর্টে এসেছে। প্রথমে স্যাটে জয় পেয়েছিল রাজ্য সরকার। তারপর থেকে প্রতিটি ক্ষেত্রে জয় পেয়েছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। উচ্চ আদালত রাজ্যকে কর্মচারীদের কেন্দ্রের সমতুল ৩১ শতাংশ হারে ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।
উল্লেখ্য, বাংলায় ২০২০ সালে রাজ্য ষষ্ঠ বেতন কমিশন চালু হওয়ার পরে ৩ শতাংশ ডিএ বেড়েছিল। এর পরে ২০২৩ সালের বাজেটের সময়ে আরও ৩ শতাংশ ডিএ ঘোষণা করা হয়। আর ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে আরও এক দফায় চার শতাংশ ডিএ বাড়ায় মমতার সরকার। এরপর এপ্রিল মাস থেকে কার্যকর হয়েছে আরও ৪ শতাংশ ডিএ। এরই মাঝে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ডিএ একাধিকবার বেড়ে ৫০ শতাংশ হয়েছে। আর বাংলা আটকে ১৪ শতাংশে। আর বর্তমান এই ডিএ মামলাটি হচ্ছে ২০০৯ সালের জুলাই থেকে ২০১৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত বকেয়া ডিএ নিয়ে।
খবর লাইভ : মেঘালয়ের বেআইনি কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, কমপক্ষে ১৮ শ্রমিকের মৃত্যুখবর লাইভ :…
খবর লাইভ : গভীর রাতে ভূকম্পনে কেঁপে উঠল উত্তরবঙ্গ। দার্জিলিং, শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়িতে প্রবল কম্পনে…
খবর লাইভ : রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড়সড় স্বস্তির খবর। প্রায় এক দশক ধরে চলা…
খবর লাইভ : পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুরোধ উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এসআইআর-এর কাজের জন্য রাজ্যের…
খবর লাইভ : পরনে ধুতি, মাথায় ইট ভর্তি ডালি নিয়ে এলাকার মানুষের সঙ্গে রাস্তা সংস্কারের…
খবর লাইভ : সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক সংক্রান্ত মামলার শুনানি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির…