খবর লাইভ : ব্যবধান মোটামুটি সাড়ে ৩ ঘণ্টার। ওড়িশার বালেশ্বরে করমণ্ডল এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনাস্থলে শনিবার গেলেন দু’জনেই। দু’জনেই হাসপাতালে গিয়ে দেখা করলেন আহতদের সঙ্গে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ হল না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
বালেশ্বরে ট্রেন দুর্ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার বালেশ্বরে গিয়ে মোদি বলেন, ‘‘যারা জড়িত, তাদের কাউকে রেয়াত করা হবে না। দোষ প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।’’ শুক্রবার রাতেই রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার সকালে নয়াদিল্লিতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন তিনি। বৈঠকে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। শনিবার বিকেলে রেলমন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে দুর্ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন তিনি। ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানও। বালেশ্বর হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সঙ্গেও দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী। ঘটনাস্থল এবং হাসপাতালে যান ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়কও। তিনি হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সঙ্গে কথা বলেন।
শনিবার সকালে হাওড়ার ডুমুরজলা থেকে হেলিকপ্টারে করে বালেশ্বরে পৌঁছন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার রাতেই কলকাতা থেকে ঘটনাস্থলে প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী নিজে ওড়িশা সরকার এবং রেলের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখছিলেন। শনিবার দুর্ঘটনাস্থলে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের পাশে দাঁড়িয়েই রেলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মমতা। প্রাক্তন রেলমন্ত্রী মমতা নির্দিষ্ট ভাবে রেলের সমন্বয়ের দিকে আঙুল তুলেছেন। তাঁর কথায়, ‘‘রেলে মনে হয় সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। আরও যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন। আরও গুরুত্ব দিতে হবে।’’ প্রত্যাশিত ভাবেই রেলমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি কী কী ব্যবস্থা করেছিলেন, সেই কথাও বলেন মমতা। তিনি বলেন, ‘‘আমি রেলমন্ত্রী থাকার সময় অ্যান্টি কলিশন ডিভাইস চালু করেছিলাম। কিন্তু এই ট্রেনে (করমণ্ডল) সংঘর্ষ এড়ানোর যন্ত্র ছিল না। থাকলে দুর্ঘটনা ঘটত না।’’ রেলও জানিয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রেনে ‘কবচ’ পদ্ধতি ছিল না। তবে একই সঙ্গে রেল জানিয়েছে, দু’টি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়নি। পাশাপাশি ধাক্কা খেয়েছে দু’টি ট্রেন। ফলে ‘কবচ’ পদ্ধতি থাকলেও লাভ হত না।
দক্ষিণ-পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক জানিয়েছেন, করমণ্ডল এক্সপ্রেস এবং বেঙ্গালুরু-হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস— দু’টি ট্রেনেই ‘কবচ’ পদ্ধতি ছিল না। ওই প্রযুক্তি না থাকার কারণেই দুর্ঘটনা? আধিকারিকের জবাব, ‘‘কোনও মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়নি। তাই কবচ পদ্ধতি থাকলেও তা কাজ করত না।’’ ট্রেনের এই ‘কবচ’ পদ্ধতি প্রসঙ্গে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে রেলমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, দক্ষিণ-পূর্ব রেলের ১,৪৪৫টি রুটে ইতিমধ্যে পর্যায়ক্রমে ‘কবচ’ কার্যকর হয়েছে। ৫ মাস আগে রেলমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘‘এখন দিল্লি-মুম্বই এবং দিল্লি-হাওড়া করিডরে (৩,০০০ কিলোমিটার) কাজ চলছে।’’ রেলমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, এমন অত্যাধুনিক ব্যবস্থা কার্যকর করার মতো সব রেলপথ জুতসই নয়। তাই আগে রেলপথের আধুনিকীকরণ করতে হচ্ছে। তার পরে সংঘর্ষরোধী অত্যাধুনিক ওই ‘সিস্টেম’ কার্যকর করা যাবে। সে জন্য ধাপে ধাপে কাজ চলছে।
খবর লাইভ : মেঘালয়ের বেআইনি কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, কমপক্ষে ১৮ শ্রমিকের মৃত্যুখবর লাইভ :…
খবর লাইভ : গভীর রাতে ভূকম্পনে কেঁপে উঠল উত্তরবঙ্গ। দার্জিলিং, শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়িতে প্রবল কম্পনে…
খবর লাইভ : রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড়সড় স্বস্তির খবর। প্রায় এক দশক ধরে চলা…
খবর লাইভ : পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুরোধ উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এসআইআর-এর কাজের জন্য রাজ্যের…
খবর লাইভ : পরনে ধুতি, মাথায় ইট ভর্তি ডালি নিয়ে এলাকার মানুষের সঙ্গে রাস্তা সংস্কারের…
খবর লাইভ : সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক সংক্রান্ত মামলার শুনানি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির…