খবর লাইভ : দুদিনের সফরের প্রথমদিন বিকেলে নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে নাগরিক সংবধর্না দিল রাজ্য সরকার। আর সেখানেই রাষ্ট্রপতির কাছে দরিদ্র মানুষের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার আর্জি জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে তখন উপস্থিত রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিশিষ্টরা।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনি দেশের প্রথম নাগরিক। আপনার কাছে আমার আর্জি দরিদ্র মানুষের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করুন। অনুগ্রহ করে সকলের অধিকার সুনিশ্চিত করুন এবং আমাদের বিপর্যয় থেকে রক্ষা করুন।
আরও পড়ুনঃ বিলকিসের ধর্ষকদের ‘অকালমুক্তি’, কেন্দ্রকে নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের
দেশের প্রথম আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতির সম্মানে আদিবাসী নাচের আয়োজন করা হয়। সেখানে পা মেলান মমতাও। উঠে দাঁড়িয়ে তাঁকে সম্মান জানান স্বয়ং রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপাল। দ্রৌপদী মুর্মুর হাতে দুর্গামূর্তি তুলে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
অল্প ভাষায় রাজ্যের উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান দেন মুখ্যমন্ত্রী। উল্লেখ করেন কন্যাশ্রী থেকে দুর্গাপুজোর ইউনেস্কোর পুরস্কারের কথা।
এদিন মমতার বক্তব্যে কোনও রাজনৈতিক মন্তব্য ছিল না । দেশের রাষ্ট্রপতির কাছে দেশের গরিব মানুষের সংবিধানিক অধিকার রক্ষা সুনিশ্চিত করার আর্জি জানান মুখ্যমন্ত্রী। বাংলায় ভূয়সী প্রশংসা করলেন রাষ্ট্রপতি। একের পরে এক বাংলার কবিতা উদ্ধৃত করে বাংলা এবং মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ দেশের প্রথম আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতি।
“বাংলা ভাষা মিষ্টি ভাষা”- বলে উল্লেখ করে মাতঙ্গিনী হাজরা থেকে বিনয়-বাদল-দীনেশ-সহ স্বাধীনতা সংগ্রামীদের স্মরণ করেন দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেন, “বাংলা থেকেই সৃষ্টি হয়েছে বন্দেমাতরম।” বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম উঠে এলো রাষ্ট্রপতির কথায়। বললেন, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু বাসভবন এবং কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মস্থানে গিয়ে নিজেকে ভাগ্যবতী বলে মনে করেছেন। বলেন, ‘‘এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি।’’
বাংলার ‘ভাইবোনেদের’ শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন ‘‘বাংলা ভাষা আমার খুব মিষ্টি লাগে। যখন এই ভাষা শুনি মনে হয় গ্রামের আশেপাশেই আছি। এমনই এই ভাষার সুবাস।’’। নাম নেন সত্যজিৎ রায়, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়েরও।
রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেন, শুধু কলকাতা নয়, রাজ্যের মানুষ রাষ্ট্রপতিকে কাছে পেয়ে সম্মানিত। বাংলার কৃষ্টি এবং সংস্কৃতির কথা তুলে ধরেন রাজ্যপাল।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীতের পরে সঙ্গীত পরিবেশন করেন স্বাগতলক্ষ্মী দাশগুপ্ত, রূপঙ্কর বাগচী, শ্রীরাধা বন্দ্যোপাধ্যায়, ইন্দ্রনীল সেন, রাঘব চট্টোপাধ্যায়। এরপর মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার নেতৃত্বে আদিবাসী নৃত্য পরিবেশিত হয়। তাতে পা মেলান স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। শাল, শঙ্খ, পটচিত্র, স্মারক থেকে শুরু করে বাংলার বৈশিষ্ট সমন্বিত উপহার দ্রৌপদী মুর্মুর হাতে তুলে দেন বিশিষ্টরা।
খবর লাইভ : মেঘালয়ের বেআইনি কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, কমপক্ষে ১৮ শ্রমিকের মৃত্যুখবর লাইভ :…
খবর লাইভ : গভীর রাতে ভূকম্পনে কেঁপে উঠল উত্তরবঙ্গ। দার্জিলিং, শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়িতে প্রবল কম্পনে…
খবর লাইভ : রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড়সড় স্বস্তির খবর। প্রায় এক দশক ধরে চলা…
খবর লাইভ : পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুরোধ উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এসআইআর-এর কাজের জন্য রাজ্যের…
খবর লাইভ : পরনে ধুতি, মাথায় ইট ভর্তি ডালি নিয়ে এলাকার মানুষের সঙ্গে রাস্তা সংস্কারের…
খবর লাইভ : সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক সংক্রান্ত মামলার শুনানি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির…