খবর লাইভ : অভূতপূর্ব সিদ্ধান্ত নিল অমিত শাহের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা ভোটে বিজেপির পক্ষ থেকে নির্বাচিত ৭৭ বিধায়ককেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিধানসভা ভোটের সময়ে বিজেপির যে সব প্রার্থীকে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল, তাঁরা হেরে যাওয়া সত্ত্বেও আপাতত আগামী ৩১ মে পর্যন্ত তাঁদের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বলয়ের আওতায় রাখা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, পূর্ব বর্ধমানে বিজেপির দলীয় কার্যালয় পাহারার দায়িত্বে নিয়োগ করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এমন সিদ্ধান্তে বিস্মিত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ। তাঁদের মতে, ‘রাজ্যের বিধায়কদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাজ্য সরকারের দায়িত্ব। রাজ্য সরকার যদি নিরাপত্তা দিতে অস্বীকার করত, তাহলে কেন্দ্র এমন সিদ্ধান্ত নিলে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠত না। কিন্তু রাজ্য সরকারকে এড়িয়ে বিজেপি বিধায়কদের কেন্দ্রীয় সুরক্ষা দেওয়া আসলে রাজ্যের তৃণমূল সরকারের সঙ্গে সঙ্ঘাতে যাওয়ারই ইঙ্গিত।’ বিজেপি বিধায়কদের কেন্দ্রীয় সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে নিয়ে আসার পিছনে আসলে সুকৌশলে তাঁদের গতিবিধির উপরে নজরদারি চালানো হচ্ছে কিনা, রাজনেতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ সেই প্রশ্নও তুলেছেন। তৃণমূল কংগ্রেস নেতারাও টিপ্পনি কাটতে ছাড়ছেন না।
গত লোকসভা ভোটের আগে থেকেই ভিন্ন দল থেকে বিজেপিতে নাম লেখানো একাধিক নেতা-নেত্রীকে কেন্দ্রীয় সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অনেকেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ওয়াই, জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পেয়েছেন। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা ভোটের আগেই রাজ্যে বিজেপির হয়ে লড়তে নামা ২৯৪ জন প্রার্থীকে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দিয়েছিল অমিত শাহের অধীনস্থ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। সোমবার ১০ মে তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে নেওয়ার কথা ছিল।
সূত্রের খবর, রাজ্য বিজেপির পক্ষ থেকে ভোট পরবর্তী হিংসার কথা মাথায় রেখে হেরে যাওয়া প্রার্থীদের যাতে চলতি মাস পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়া হয়, সেই আর্জি জানানো হয়েছিল। সেই আর্জি মেনে নিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। পাশাপাশি বিজেপির হয়ে সদ্য সমাপ্ত ভোটে যাঁরা বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন তাঁদের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ৭৭ জন বিধায়কের মধ্যে মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারী, নিশীথ প্রামাণিক, জগন্নাথ সরকার সহ ১৩ জন অবশ্য আগে থেকেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পাচ্ছেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক আধিকারিক এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, সব বিজেপি বিধায়ককেই কেন্দ্রীয নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে। তবে কেউ যদি কেন্দ্রের নিরাপত্তা না নিতে চান, তা হলে নাও নিতে পারেন। এর আগে কলকাতার প্রাক্তন মহানাগরিক শোভন চট্টোপাধ্যায়কেও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। যদিও তিনি তা প্রত্যাখান করেছিলেন।
উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই বিধানসভা ভবনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রবেশ নিষিদ্ধ করে গত শুক্রবার বিধানসভা সচিবালয়ের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। ফলে বিজেপি বিধায়করা কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেলেও তাঁদের নিরাপত্তা রক্ষীদের বিধানসভা ভবনের বাইরেই অপেক্ষা করতে হবে।
খবর লাইভ : মেঘালয়ের বেআইনি কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, কমপক্ষে ১৮ শ্রমিকের মৃত্যুখবর লাইভ :…
খবর লাইভ : গভীর রাতে ভূকম্পনে কেঁপে উঠল উত্তরবঙ্গ। দার্জিলিং, শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়িতে প্রবল কম্পনে…
খবর লাইভ : রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড়সড় স্বস্তির খবর। প্রায় এক দশক ধরে চলা…
খবর লাইভ : পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুরোধ উপেক্ষা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এসআইআর-এর কাজের জন্য রাজ্যের…
খবর লাইভ : পরনে ধুতি, মাথায় ইট ভর্তি ডালি নিয়ে এলাকার মানুষের সঙ্গে রাস্তা সংস্কারের…
খবর লাইভ : সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল আইপ্যাক সংক্রান্ত মামলার শুনানি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির…